Bangladesh   Tuesday, 3 November 2026
Metro 24 News

বগুড়ায় সার ডিলার নিয়োগে ৫ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগে বহিষ্কার হলেন বিএনপি নেতা

বগুড়ায় সার ডিলার নিয়োগে ৫ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগে বহিষ্কার হলেন বিএনপি নেতা

বগুড়ায় ২০২৬ সালের নতুন নীতিমালায় সার ডিলার নিয়োগে সুপারিশ করে দেওয়ার কথা বলে পাঁচ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন টুকুর বিরুদ্ধে। টাকা নেওয়ার সময় স্থানীয় জনতার হাতে তিনি আটক হন বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। এ ঘটনার পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে সাংগঠনিক পদসহ বিএনপির সব পদ-পদবি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো. কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাহাঙ্গীর হোসেন টুকুর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে এরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ সকল পদ-পদবি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কেন তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, সে বিষয়ে উপযুক্ত ব্যাখ্যা বা জবাব দেওয়ার জন্য তিন দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সভায় সিদ্ধান্তটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

যে নীতিমালায় সার ডিলার নিয়োগ

কৃষি মন্ত্রণালয় ২০২৬ সালের ৩০ আগস্ট ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬ বাস্তবায়ন’ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে। নতুন ব্যবস্থায় সার ডিলার নিয়োগ, বরাদ্দ, বিতরণ ও কার্যক্রমকে নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় আনার পাশাপাশি জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, ইউনিয়ন, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় নির্ধারিত ডিলার ইউনিটের ভিত্তিতেই নিয়োগ হবে। ডিলারের সংখ্যা নির্ধারিত কাঠামোর বাইরে বাড়ানোর সুযোগ নেই। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তিকে ডিলার নিয়োগের সুযোগও রাখা হয়নি। ডিলারের কার্যক্রম মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী ডিলারশিপ নবায়ন বা বাতিলের ব্যবস্থাও রয়েছে।

২০২৬ সালের ব্যবস্থায় প্রতিটি ডিলারের অধিক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তিনটি খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র রাখার বিধান রয়েছে। এসব কেন্দ্রের স্থান নির্ধারণ ও বিক্রয় কার্যক্রম উপজেলা বা জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির অনুমোদন ও তদারকির আওতায় থাকবে। খুচরা বিক্রেতাদেরও নির্দিষ্ট শর্ত ও জবাবদিহির আওতায় আনা হয়েছে।

নীতিমালায় ডিলার হওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক সক্ষমতা, ট্রেড লাইসেন্স, নির্ধারিত ধারণক্ষমতার গুদামসহ বিভিন্ন যোগ্যতার কথা বলা হয়েছে। প্রকাশিত নীতিমালা-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকার ব্যাংক সক্ষমতার সনদ এবং কমপক্ষে ৫০ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার গুদামের শর্তের কথা উল্লেখ রয়েছে। নির্বাচিত ডিলারকে চুক্তির আগে তিন লাখ টাকা জামানত দেওয়ার বিধানও রয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং জনপ্রতিনিধিদের সার বিক্রয় প্রতিনিধি হওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। ব্যবসায়িক অনিয়ম, জালিয়াতি বা সংশ্লিষ্ট আইনে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রেও অযোগ্যতার 

সার ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া সরকারি নীতিমালার আওতায় পরিচালিত হওয়ার কথা।

 স্থানীয় পর্যায়ে যাচাই-বাছাই, মনিটরিং কমিটির ভূমিকা এবং নির্ধারিত যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের কাঠামো থাকায় কোনো রাজনৈতিক নেতা ব্যক্তিগত প্রভাব বা অর্থের বিনিময়ে ডিলার নিয়োগ নিশ্চিত করে দিতে পারেন কি না, এ প্রশ্নটি অভিযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

জাহাঙ্গীর হোসেন টুকু নিজেকে এরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে দলীয় সম্পৃক্ততার প্রত্যয়ন দিয়েছেন, এমন একটি প্রত্যয়নপত্রও প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে। এতে এস এম ইমরান নামে এক ব্যক্তিকে বিএনপির নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ওই প্রত্যয়নপত্রের সঙ্গে সার ডিলার নিয়োগের কোনো সরাসরি প্রশাসনিক ক্ষমতা বা অনুমোদনের সম্পর্ক রয়েছে, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে পাঁচ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ এবং ওই অর্থের বিনিময়ে সার ডিলার নিয়োগে কোনো প্রভাব খাটানোর চেষ্টা হয়েছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

তদন্তে যেসব বিষয় খতিয়ে দেখা জরুরি

অভিযোগটি সত্য হলে অর্থ লেনদেনের প্রকৃতি, টাকা গ্রহণের উদ্দেশ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যোগাযোগ, সার ডিলার নিয়োগের আবেদন ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া এবং স্থানীয় মনিটরিং কমিটির কার্যক্রম পরীক্ষা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কথিত পাঁচ লাখ টাকার উৎস ও গন্তব্য এবং কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের বিষয় হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি ভর্তুকি-নির্ভর কৃষি উপকরণের ডিলার নিয়োগে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাবের অভিযোগ উঠলে প্রশাসনিক তদন্তের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের বিষয়টি যাচাই করা জরুরি।

অভিযোগের বিষয়ে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন টুকুর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে দলীয় সিদ্ধান্তে তাকে সাময়িকভাবে সব পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

Topic : বিএনপি নেতা বহিষ্কার বগুড়া

আপনার মতামত লিখুন

Metro 24 News

Tuesday, 3 November 2026


বগুড়ায় সার ডিলার নিয়োগে ৫ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগে বহিষ্কার হলেন বিএনপি নেতা

Published : 3 November 2026

featured Image
বগুড়ায় ২০২৬ সালের নতুন নীতিমালায় সার ডিলার নিয়োগে সুপারিশ করে দেওয়ার কথা বলে পাঁচ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন টুকুর বিরুদ্ধে। টাকা নেওয়ার সময় স্থানীয় জনতার হাতে তিনি আটক হন বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। এ ঘটনার পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে সাংগঠনিক পদসহ বিএনপির সব পদ-পদবি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো. কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাহাঙ্গীর হোসেন টুকুর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে এরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ সকল পদ-পদবি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কেন তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, সে বিষয়ে উপযুক্ত ব্যাখ্যা বা জবাব দেওয়ার জন্য তিন দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সভায় সিদ্ধান্তটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।যে নীতিমালায় সার ডিলার নিয়োগকৃষি মন্ত্রণালয় ২০২৬ সালের ৩০ আগস্ট ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬ বাস্তবায়ন’ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে। নতুন ব্যবস্থায় সার ডিলার নিয়োগ, বরাদ্দ, বিতরণ ও কার্যক্রমকে নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় আনার পাশাপাশি জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।নীতিমালা অনুযায়ী, ইউনিয়ন, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় নির্ধারিত ডিলার ইউনিটের ভিত্তিতেই নিয়োগ হবে। ডিলারের সংখ্যা নির্ধারিত কাঠামোর বাইরে বাড়ানোর সুযোগ নেই। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তিকে ডিলার নিয়োগের সুযোগও রাখা হয়নি। ডিলারের কার্যক্রম মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী ডিলারশিপ নবায়ন বা বাতিলের ব্যবস্থাও রয়েছে।২০২৬ সালের ব্যবস্থায় প্রতিটি ডিলারের অধিক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তিনটি খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র রাখার বিধান রয়েছে। এসব কেন্দ্রের স্থান নির্ধারণ ও বিক্রয় কার্যক্রম উপজেলা বা জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির অনুমোদন ও তদারকির আওতায় থাকবে। খুচরা বিক্রেতাদেরও নির্দিষ্ট শর্ত ও জবাবদিহির আওতায় আনা হয়েছে।নীতিমালায় ডিলার হওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক সক্ষমতা, ট্রেড লাইসেন্স, নির্ধারিত ধারণক্ষমতার গুদামসহ বিভিন্ন যোগ্যতার কথা বলা হয়েছে। প্রকাশিত নীতিমালা-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকার ব্যাংক সক্ষমতার সনদ এবং কমপক্ষে ৫০ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার গুদামের শর্তের কথা উল্লেখ রয়েছে। নির্বাচিত ডিলারকে চুক্তির আগে তিন লাখ টাকা জামানত দেওয়ার বিধানও রয়েছে।এ ছাড়া সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং জনপ্রতিনিধিদের সার বিক্রয় প্রতিনিধি হওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। ব্যবসায়িক অনিয়ম, জালিয়াতি বা সংশ্লিষ্ট আইনে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রেও অযোগ্যতার সার ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া সরকারি নীতিমালার আওতায় পরিচালিত হওয়ার কথা। স্থানীয় পর্যায়ে যাচাই-বাছাই, মনিটরিং কমিটির ভূমিকা এবং নির্ধারিত যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের কাঠামো থাকায় কোনো রাজনৈতিক নেতা ব্যক্তিগত প্রভাব বা অর্থের বিনিময়ে ডিলার নিয়োগ নিশ্চিত করে দিতে পারেন কি না, এ প্রশ্নটি অভিযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।জাহাঙ্গীর হোসেন টুকু নিজেকে এরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে দলীয় সম্পৃক্ততার প্রত্যয়ন দিয়েছেন, এমন একটি প্রত্যয়নপত্রও প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে। এতে এস এম ইমরান নামে এক ব্যক্তিকে বিএনপির নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে ওই প্রত্যয়নপত্রের সঙ্গে সার ডিলার নিয়োগের কোনো সরাসরি প্রশাসনিক ক্ষমতা বা অনুমোদনের সম্পর্ক রয়েছে, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে পাঁচ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ এবং ওই অর্থের বিনিময়ে সার ডিলার নিয়োগে কোনো প্রভাব খাটানোর চেষ্টা হয়েছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।তদন্তে যেসব বিষয় খতিয়ে দেখা জরুরিঅভিযোগটি সত্য হলে অর্থ লেনদেনের প্রকৃতি, টাকা গ্রহণের উদ্দেশ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যোগাযোগ, সার ডিলার নিয়োগের আবেদন ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া এবং স্থানীয় মনিটরিং কমিটির কার্যক্রম পরীক্ষা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কথিত পাঁচ লাখ টাকার উৎস ও গন্তব্য এবং কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের বিষয় হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি ভর্তুকি-নির্ভর কৃষি উপকরণের ডিলার নিয়োগে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাবের অভিযোগ উঠলে প্রশাসনিক তদন্তের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের বিষয়টি যাচাই করা জরুরি।অভিযোগের বিষয়ে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন টুকুর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে দলীয় সিদ্ধান্তে তাকে সাময়িকভাবে সব পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

Metro 24 News

Publisher & Editor:Majedur Rahman
Copyright © Metro 24 News